1. aoxen@aoxen.net : AOXEN : AOXEN AOXEN
  2. abmnewws5@gmail.com : Akbar Hussain : Akbar Hussain
  3. shahinbangla71@gmail.com : Mohammed Shahin : Mohammed Shahin
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাঁচ বছরে ৫ লাখ শূন্য পদে নিয়োগ দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সমাজের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্পিকার জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে দুবাই হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। বেঙ্গল ক্লাব এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে আটলান্টিক সিটিতে সেমিনার এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লবণচাষিদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর টানা এক সপ্তাহ লোডশেডিংমুক্ত দেশ

কক্সবাজারে ভেসে আসলো ১০ মরদেহ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৫৫৭ Views

কক্সবাজারের নাজিরারটেক এলাকার সমুদ্র উপকূলে ভেসে আসা একটি ট্রলারের হিমঘর থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় উদ্ধার ১০ মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহত সবাই মহেশখালী ও চকরিয়ার বাসিন্দা। ট্রলারটি মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়া গ্রামের শামসুল আলমের বলে দাবি করেছেন তার স্ত্রী রোকেয়া বেগম।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক তাওহিদুল আনোয়ার জানান, ঘটনার পরপরই রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নামে পিবিআইয়ের একটি দল। তবে তারা এখনও মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি।

শামসুল আলমের স্ত্রী রোকেয়া বেগম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত ৭ এপ্রিল জেলেদের নিয়ে তার স্বামী শামসুল আলম সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। দীর্ঘদিন ফিরে না আসায় তিনি বিষয়টি প্রশাসন ও সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। রোববার কক্সবাজারে ট্রলারে মরদেহ উদ্ধারের খবর শুনে ছুটে এসেছেন তিনি এবং ট্রলারটি তার স্বামীর বলে শনাক্তও করেছেন।

তিনি আরও জানান, তার এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। ছেলের নাম অনুসারে ট্রলারের নাম রাখা হয় এফবি কালু। কিন্তু সাগরে যাওয়ার আগে ট্রলার মেরামতের কাজ করার সময় নামটি মুছে যায়, পরে আর নামটি লিখা হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শামসুল আলমের ট্রলারে তিনিসহ ১১ জন জেলে ছিলেন। তাদের কেউ বাড়ি ফিরে আসেনি এবং তাদের সাথে পরিবারের কারো যোগাযোগও নেই। নিখোঁজ ওই ট্রলারে মহেশখালীর ৮ জন এবং চকরিয়ার ৩ জন জেলে ছিলেন।

তারা হলেন— মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের ছনখোলা পাড়া গ্রামের আবু জাফরের পুত্র শামসুল আলম, মোহাম্মদ মুসা ও শাপলাপুর ইউনিয়নের মিটাছড়ি গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের পুত্র সাইফুল ইসলাম (১৮), জাফর আলমের পুত্র সওকত উল্লাহ (১৮), মুসা আলীর পুত্র ওসমাণ গনি (১৭), শাহাব মিয়ার পুত্র সাইফুল্লাহ (২৩), মোহাম্মদ আলীর পুত্র পারভেজ মোশাররফ (১৪), মোহাম্মদ হোসাইনের পুত্র নুরুল কবির (২৮) এবং চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের কবির হোসাইনের পুত্র সাইফুল ইসলাম, শাহ আলমের পুত্র শাহজাহান (৩৫), জসিম উদ্দীনের পুত্র তারেক (২৫)।

নিখোঁজ থাকা জেলে নুরুল কবিরের পিতা মোহাম্মদ হোসেন জানান, তার ছেলে দিনমজুর। সাগরে মাছ ধরা, ঝালমুড়ি বিক্রি, দৈনিক মজুরি খাটাসহ যে কাজ পান তা করে জীবন চালায়। ৭ এপ্রিল তার ছেলে নুরুল কবিরসহ একই এলাকার আরও ৫ জন ট্রলারে করে মাছ ধরতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। সাগরে তাদের বোটে হামলা হয়েছে বলে তিনি লোকমুখে শুনেছেন। এ ঘটনা প্রকাশের পর তার ছেলের সাথে যাওয়া অপর ৫ জনের পরিবার তাদেরকে বিভিন্নভাবে চাপ দিচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে শাপলাপুর ইউনিয়নের মিটাছড়ি ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সলিম উল্লাহ জানান, তার এলাকা থেকে ৬ জন নিখোঁজ হয়েছে। তাদের ৫ জনের বয়স ১৬ বছরের নিচে। তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় খারাপ কোন রেকর্ড নাই। তাদের পরিবার জানিয়েছে, ঈদের খরচ যোগাতে তারা সাগরে মাছ ধরতে গেছে।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারে ট্রলারে ১০ মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা প্রচার হওয়ার পর পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে চারিদিকে। শোকে কাতর সবাই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Developed By : JM IT SOLUTION