1. aoxen@aoxen.net : AOXEN : AOXEN AOXEN
  2. abmnewws5@gmail.com : Akbar Hussain : Akbar Hussain
  3. shahinbangla71@gmail.com : Mohammed Shahin : Mohammed Shahin
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন

অভিবাসী চোরাচালানের শাস্তি কঠোর করছে গ্রিস

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮ Views

গ্রিসের অভিবাসন মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, অভিবাসী চোরাচালানের শাস্তি কঠোর করতে তারা পার্লামেন্টে একটি নতুন বিল জমা দিয়েছে। এর মধ্যে আজীবন কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে।

গ্রিসের অ্যাথেন্স থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

২০১৫ সালে ইউরোপীয় অভিবাসন সংকটের চূড়ান্ত সময়ে সিরীয় শরণার্থীদের ইউরোপে প্রবেশের প্রধান রুট ছিল গ্রিস। দেশটিতে সহায়তা কর্মী ও অভিবাসীদের বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিবাসীদের অবৈধ পাচারের শাস্তি সব স্তরে কঠোর করা হবে। পাচারকারীদের জন্য আজীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে এবং অপরাধে দোষী সাব্যস্ত অভিবাসীদের সরাসরি বহিষ্কার করা হতে পারে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, নিয়মিত অবস্থানকারী অভিবাসীরা অনিয়মিত অভিবাসীদের সহায়তা করলে সেটিও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

অভিবাসন মন্ত্রী থানোস প্লেভ্রিস আগে একটি অতি-ডানপন্থী দলের সদস্য ছিলেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিবাসী পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধেও শাস্তি বাড়ানো হবে, যার মধ্যে কারাদণ্ড অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আগামী সপ্তাহে সংসদে বিলটি পর্যালোচনা করা হবে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ডক্টরস অব দ্য ওয়ার্ল্ড এবং ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সের গ্রিস শাখাসহ ৫৬টি এনজিও যৌথ বিবৃতিতে আইনটির কয়েকটি ধারা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের কোনো সদস্য অভিযুক্ত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং কয়েক হাজার ইউরো জরিমানা করা হবে।

তারা আরো অভিযোগ করেছে, মন্ত্রণালয়কে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হলে, এমনকি দোষী সাব্যস্ত না হলেও সংগঠনের রেজিস্ট্রেশন বাদ দিতে এবং তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারে।

নতুন আইনের মাধ্যমে অভিবাসন মন্ত্রণালয় বৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করতে চায়। এর মধ্যে রয়েছে তৃতীয় দেশের শ্রমিকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করা, হাই-টেক কোম্পানির কর্মীদের জন্য নতুন ভিসা তৈরি করা এবং তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মেয়াদ পর্যন্ত আবাসিক অনুমতি দেওয়া।

আশ্রয়প্রার্থী ও শরণার্থীদের জন্য শ্রম-ঘাটতিপূর্ণ খাত— যেমন নির্মাণ, কৃষি ও পর্যটনে প্রবেশে সহায়তা করতে পেশাগত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Developed By : JM IT SOLUTION