1. aoxen@aoxen.net : AOXEN : AOXEN AOXEN
  2. abmnewws5@gmail.com : Akbar Hussain : Akbar Hussain
  3. shahinbangla71@gmail.com : Mohammed Shahin : Mohammed Shahin
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাঁচ বছরে ৫ লাখ শূন্য পদে নিয়োগ দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সমাজের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্পিকার জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে দুবাই হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। বেঙ্গল ক্লাব এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে আটলান্টিক সিটিতে সেমিনার এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লবণচাষিদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর টানা এক সপ্তাহ লোডশেডিংমুক্ত দেশ

সকালে কাঁচা মরিচের কেজি ৬০০ টাকা, সন্ধ্যায় ৩০০

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২ জুলাই, ২০২৩
  • ৫৪৬ Views

হঠাৎ দাম কমে গেল কাঁচা মরিচের। সকালে যে মরিচের দাম ৬০০ টাকা কেজি সেই মরিচ সন্ধ্যা হতেই নেমে আসে অর্ধেকে।

রোববার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি বাজারের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা দোকানে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা যায়।

গত কয়েক দিন ধরেই মরিচের বাজার ছিল অস্থির। দেখতে দেখতে মরিচের কেজি পৌঁছে যায় ৬০০ টাকা কেজিতে। পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছয়দিনের ছুটি শেষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সোমবার (৩ জুলাই) পণ্য আমদানি রফতানি বাণিজ্যের খবর শুনেই দাম অর্ধেকে নেমে আসে কাঁচা মরিচের। ৬০০ টাকা কেজি কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি।

পাইককান্দি গ্রামের বাসিন্দা কামাল হোসেন সন্ধ্যায় বাজার করতে ঢোকেন মরিচের দোকানে। দোকানদার তার কাছে দাম চান ৭০ টাকা পোয়া। দাম শুনে চমকে উঠেন তিনি। যে মরিচ ১৫০ টাকা পোয়া সেই মরিচের দাম এতো কমলো কেমনে।

তিনি বলেন, আমাদের বাজারগুলো অনিয়ন্ত্রিত। কোন তদারকি নেই। তদারকি থাকলে ক্রেতাদের সাথে এমন ব্যবহার করতে পারতো না ব্যবসায়ীরা। আমরা চাই সরকার বাজারগুলোতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করুক। কি এমন ঘটলো যে ৭ থেকে ৮ ঘন্টার ব্যবধানে মরিচের দাম অর্ধেকে নেমে আসলো।

হঠাৎ করে কি এমন হলো যে মরিচের দাম অর্ধেক কমে গেল এমন প্রশ্ন করলে সবজি দোকানদার জাহিদ হোসেনসহ একাধিক দোকানদার বলেন, ভাই আমরা কিছুই বলতে পারব না। সব উপড়ের কারসাজি। বাজার এ রকম থাকার কারণে আমাদের মতো ক্ষুদ্র দোকানদাররাও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সকালে ২০ কেজি মরিচ কিনেছিলাম ৫২০ টাকা করে। বিক্রি করছিলাম ৬০০ টাকা করে। ৫ থেকে ৬ কেজি মরিচ বিক্রি করতে পেরেছি। এখনো প্রায় ১৪ কেজি রয়ে গেছে। এই মরিচ এখন আমাকে ২৮০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে। কেজি প্রতি ২৪০ টাকা করে আমাদের কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Developed By : JM IT SOLUTION