1. aoxen@aoxen.net : AOXEN : AOXEN AOXEN
  2. abmnewws5@gmail.com : Akbar Hussain : Akbar Hussain
  3. shahinbangla71@gmail.com : Mohammed Shahin : Mohammed Shahin
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাঁচ বছরে ৫ লাখ শূন্য পদে নিয়োগ দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সমাজের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: স্পিকার জনবান্ধব ভূমি ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে দুবাই হাম ও উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মাস্টার্স অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। বেঙ্গল ক্লাব এবং প্রথম আলোর উদ্যোগে আটলান্টিক সিটিতে সেমিনার এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লবণচাষিদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা বিষয়ক জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর টানা এক সপ্তাহ লোডশেডিংমুক্ত দেশ

বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের প্রবেশদ্বার হবে: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৫৩ Views

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ হবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের প্রবেশদ্বার এবং প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগের কেন্দ্রস্থল।

বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে বসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণের উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করার পর তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান এবং সরকারের উদ্যোগের কারণে বাংলাদেশ হবে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের প্রবেশদ্বার এবং যোগাযোগের কেন্দ্রস্থল।

সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান জাহিদ তুষার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির দিকে নিতে ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা গ্রহণে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ এবং কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ এবং রানওয়ের সম্প্রসারণের চলমান কাজের কথা উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ হবে পূর্ব ও পশ্চিমের সেতুবন্ধন এবং বিমান চলাচলের প্রবেশদ্বার।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে জ্বালানি রিফুয়েলিংয়ের জন্য ব্যবহার করা গেলে আন্তর্জাতিক রুটের দৈর্ঘ্য কমে যাবে। তিনি বলেন, এখন যেমন সবাই বিমানের রিফুয়েলিংয়ের গেটওয়ে হিসাবে দুবাইকে ব্যবহার করছে, কক্সবাজারও ঠিক তেমনি একটি গেটওয়ে হয়ে উঠবে। আন্তর্জাতিক রুটে জ্বালানি রিফুয়েলিংয়ের জন্য কক্সবাজার স্বল্প দূরত্বের মধ্যে এসে গেলে, তখন আর এদিক-সেদিক ঘুরতে হবে না, সবাই সরাসরি কক্সবাজার থেকেই এই সুবিধা নিতে পারবে।

সরকার প্রধান বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো জ্বালানি নিতে কক্সবাজারে এলে, দেশের রাজস্ব আয়ও বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হযরত শাহজালার বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে সবকিছুই ডিজিটাল প্রযুক্তিতে পরিচালিত হবে, যাতে মানুষ খুব দ্রুত এবং সহজে আন্তর্জাতিক মানের সেবা পেতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিমানবন্দরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব একটি বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিএএবি) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সামনে তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণ প্রকল্পের হালনাগাদ পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আগামী অক্টোবরে এইচএসআইএর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে। এ পর্যন্ত তৃতীয় টার্মিনালের ৬১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে উল্লেখ করে মফিদুর রহমান বলেন, আগামী বছরের অক্টোবরের মধ্যে মোট প্রকল্পের ৯৩ শতাংশ কাজ শেষ হবে, সামান্য কিছু কাজ বাকি থাকবে।

সিএএবি চেয়ারম্যান বলেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্রকল্পের ব্যয় ২২ হাজার কোটি টাকা থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকায় বাড়তে পারে, তবে টার্মিনালে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও দক্ষতা যোগ হবে। বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ ছাড়াও, ফরাসি রাডার প্রস্তুতকারক থ্যালসের দ্বারা রাডার স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় দ্রুত রাডার স্থাপনের কাজ শেষ করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। রাডার স্থাপনের মাধ্যমে দেশের আয় আরও বাড়বে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন রাডার স্থাপনের ফলে আরও ভালো রিটার্ন আসবে। কারণ তখন বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যাওয়া ফ্লাইটগুলো ট্র্যাক করা সহজ হবে।

সিভিল এভিয়েশনের মতে, নতুন রাডার স্থাপনের প্রকল্পটি ২০২১ সালের অক্টোবরে নেওয়া হয়েছিল, যা ২০২৪ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।তবে তৃতীয় টার্মিনাল এবং রাডারটি স্থাপনের কাজ দ্রুত শেষ হওয়ায়, একই সময়ে উদ্বোধন করা হবে। রাডারের আওতা ক্ষমতা ভারত ও মিয়ানমার থেকে অর্জিত সমুদ্রসীমা পর্যন্ত প্রসারিত হবে। এটি বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক এবং নিরাপদ করতেও সাহায্য করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Developed By : JM IT SOLUTION