1. aoxen@aoxen.net : AOXEN : AOXEN AOXEN
  2. abmnewws5@gmail.com : Akbar Hussain : Akbar Hussain
  3. shahinbangla71@gmail.com : Mohammed Shahin : Mohammed Shahin
  4. jmitsolution24@gmail.com : support :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জঙ্গি হামলায় নিহত ২০ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় পারমানবিক অস্ত্র প্রশ্নে নমনীয় ইরান বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্বজুড়ে ‘শক্তির আধিপত্য’ বাড়ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব শক্তিশালী তুষারঝড়ে নিউইয়র্কে নগরজুড়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুলিশের কাজে অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘কৃষক কার্ড’ চালু সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ভারতীয়দের জন্য পুনরায় পর্যটক ভিসা চালু করেছে দিল্লিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ঈদের আগে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবে সরকার : মাহদী আমিন মুকসুদপুরে প্রায় ১৫০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করল চরপ্রসন্নদী সমাজকল্যাণ সংস্থা 

বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪ Views

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি করে যেটি মানুষের স্মৃতিশক্তি এবং বিশ্লেষণী ক্ষমতা বাড়ায়। এমনকি আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগেরও ঝুঁকি কমায়।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা একাডেমির আয়োজনে ১৯৭৮ সাল থেকে চালু হওয়া অমর একুশে বইমেলা এখন জাতীর মেধা মননের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে বইমেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নিয়মের কিছুটা ব্যত্যয় ঘটিয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায়এবার নির্ধারিত সময়ের বেশকিছু সময় পর বইমেলা শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই বইমেলার আয়োজন করা হয়। তবে আমাদের বইমেলা অন্য দেশের বইমেলার মতো নয়। আমাদের বইমেলা আমাদের মাতৃভাষার ভাষার অধিকার আদায় এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার স্মারক হিসেবে চিহ্নিত। তবে প্রতি বছর মেলার আকার আয়তন বাড়লেও সেই হারে গবেষণাধর্মী বই প্রকাশিত হচ্ছে কিনা কিংবা মানুষের বই পড়ার অভ্যাস বাড়ছে কিনা এই বিষয়গুলো নিয়েও বর্তমানে চিন্তা ভাবনার অবকাশ রয়েছে।

বই পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, জার্মান দার্শনিক ‘মারকুইস সিসেরো’র একটি উক্তি এখানে আমি খুবই প্রাসঙ্গিক মনে করছি। তিনি বলছিলেন- বই ছাড়া ঘর আত্মা ছাড়া দেহের মতো। বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা বলছেন, বই শুধুমাত্র বিদ্যা শিক্ষা কিংবা অবসরের সঙ্গীয় নয় বরং বই পড়া মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের ব্যায়াম। তবে বর্তমান সময়ে তথ্য প্রযুক্তি মানুষের বই পড়ার অভ্যাসে প্রধান বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইন্টারনেট আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বই বিমুখ করে তুলছে। ইন্টারনেটেও অবশ্যই বই পড়া যায়…তবে গবেষকরা বলছেন, বইয়ের পাতায় কালো অক্ষরে লেখা বই পড়ার মধ্যে যেভাবে জ্ঞানের গভীরতা উপভোগ করা যায়, একইভাবে দিনের পর দিন কম্পিউটারের মনিটরে ডুবে থেকে জ্ঞানার্জন সম্ভব হলেও শরীর এবং মনোজগতে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার প্রভাবও কম নয়।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য কিংবা কানাডার মতো অনেক উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরায় বলছেন,ইন্টারনেট ব্যবহারের আসক্তি পড়াশোনার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলার তীব্র ঝুঁকি রয়েছে। সময়ের প্রেক্ষিতে জন জীবনে ইন্টারনেট অনিবার্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠলেও এর নেতিবাচক দিকগুলো সম্পর্কেও আমাদের সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশের একজন মানুষ গড়ে বছরে তিনটির মতো বই পড়েন। আর বই পড়ার পেছনে বছরে ব্যয় করেন মাত্র ৬২ ঘণ্টা সময় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, অমর একুশে বইমেলা শুধুমাত্র নিছক একটি উৎসবই হবে না বরং এই মেলা আমাদের আরও বইপ্রেমী করে তুলবে, নিয়মিত বই পড়ায় আগ্রহী করে তুলবে, আজকের এই বই মেলায় দাঁড়িয়ে এটিই আমার প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ৫২’র ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে আমরা সগৌরবে প্রতি বছর অমর একুশে পালন করি। দিবসটি এখন আর শুধু বাংলাদেশের নয়। অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে। ৫২ সালের ভাষা শহীদদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে আজকের এই বাংলা একাডেমি। বাংলা একাডেমির সৃজনশীল কার্যক্রমের অন্যতম একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ কাজ ‘অমর একুশে বইমেলা’। তবে সময়ের প্রেক্ষিতে আগামী বছরগুলোতে ‘অমর একুশে বইমেলা’ ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’য় হিসেবে আয়োজন করার সুযোগ রয়েছে কিনা, সেটি আপনারা বিবেচনা করতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। জনগণের প্রতি জবাবদিহিমূলক এ সরকার দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়। অমর একুশে বইমেলা কেবল বই বেচাকেনার মেলা নয় বরং মেলা হয়ে উঠুক শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক বিকাশের সূতিকাগার।

বইমেলা শুধু একটি নির্দিষ্ট মাসে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সীমাবদ্ধ না রেখে সারাবছর দেশের সব বিভাগ, জেলা, উপজেলায়ও আয়োজিত হতে পারে। এ ব্যাপারে বই প্রকাশকগণও উদ্যোগী ভূমিকা রাখতে পারেন বলে আমি মনে করি। এ ব্যাপারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আপনাদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022
Developed By : JM IT SOLUTION